রেজিনটি সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে তৈরি করা হয়, কিন্তু খাদ্যদ্রব্যের সাথে সরাসরি ব্যবহার এবং সরাসরি চিকিৎসাগত ব্যবহারের মতো কিছু নির্দিষ্ট প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্তাবলী প্রযোজ্য। নিয়ন্ত্রক বিধি-বিধান মেনে চলার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য আপনার স্থানীয় প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন।
গলিত পলিমারের সাথে ত্বক বা চোখের সংস্পর্শের সম্ভাবনা থেকে শ্রমিকদের সুরক্ষিত রাখা উচিত। চোখের যান্ত্রিক বা তাপীয় আঘাত প্রতিরোধের জন্য ন্যূনতম সতর্কতা হিসেবে নিরাপত্তা চশমা পরার পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রক্রিয়াকরণ এবং অফ-লাইন অপারেশনের সময় বাতাসের সংস্পর্শে এলে গলিত পলিমারের গুণমান নষ্ট হতে পারে। এই নষ্ট হওয়া পদার্থগুলোর একটি অপ্রীতিকর গন্ধ থাকে। উচ্চ ঘনত্বে এগুলো শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। ধোঁয়া বা বাষ্প সরিয়ে নেওয়ার জন্য উৎপাদন এলাকাগুলোতে বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা থাকা উচিত। নির্গমন নিয়ন্ত্রণ এবং দূষণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইন অবশ্যই মেনে চলতে হবে। যদি সঠিক উৎপাদন পদ্ধতির নীতিগুলো মেনে চলা হয় এবং কর্মস্থলটি ভালোভাবে বায়ুচলাচলযুক্ত থাকে, তবে রেজিন প্রক্রিয়াকরণে কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে না।
অতিরিক্ত তাপ এবং অক্সিজেন সরবরাহ করা হলে রেজিনটি জ্বলে উঠবে। এটিকে সরাসরি আগুন এবং/অথবা প্রজ্বলন উৎসের সংস্পর্শ থেকে দূরে রেখে নাড়াচাড়া ও সংরক্ষণ করা উচিত। জ্বলার সময় রেজিনটি উচ্চ তাপ উৎপন্ন করে এবং ঘন কালো ধোঁয়া তৈরি করতে পারে। প্রাথমিক আগুন জল দিয়ে নেভানো যেতে পারে, এবং ছড়িয়ে পড়া আগুন জলীয় বা পলিমারিক স্তর তৈরি করে এমন ঘন ফেনা দিয়ে নেভানো উচিত। নাড়াচাড়া ও প্রক্রিয়াকরণের নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ম্যাটেরিয়াল সেফটি ডেটা শিট (Material Safety Data Sheet) দেখুন।